দক্ষিণ সুরমায় যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ: পরিবারে উদ্বেগ ও ক্ষোভ
প্রকাশিত: ০২/০৪/২০২১ ১১:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন
ছবি: ।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার আনোয়ার মিয়ার ছেলে ফাহিম আহমদ শিকদার (৩০)-এর ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ফাহিম আহমদ শিকদার স্থানীয়ভাবে পরিচিত একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার এলাকার তালতলা পয়েন্টে তিনি হামলার শিকার হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আব্দুর বারিক (২৭) নামের এক ব্যক্তি—যাকে পরিবার ছাত্রদলের সদস্য বলে দাবি করছে—এবং তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন সহপাঠী মিলে ফাহিম আহমদ শিকদারের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিবারের দাবি, হামলায় ফাহিম আহমদ শিকদার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। বিশেষ করে তার পায়ে মারাত্মক জখম হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত সিলেট ওমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয়। স্বজনরা জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় পরিবার চরম উদ্বেগের মধ্যে পড়ে। তাদের দাবি, হামলার পর দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শারীরিক ও মানসিক কষ্ট ভোগ করছেন। পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। ফাহিম আহমদ শিকদারের শারীরিক অবস্থা বিষয়ে প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, “ফাহিম আহমদ শিকদারের পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, আঘাতের ধরন বিবেচনায় তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা হয়েছে এবং নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের ধারণা, তার পুরোপুরি সুস্থ হতে আনুমানিক এক মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। তবে যথাযথ চিকিৎসা, বিশ্রাম ও নিয়মিত ফলোআপ নিশ্চিত করা হলে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।.jpg)
শুভ প্রতিদিন/